পাহার থেকে সেনা হটাও, এই কথাটি বাংলাদেশের স্বাধিনতা বিরোধী

 



পাহাড় থেকেসেনা হটাও এই কথাটি যে বলে সে বাংলাদেশের স্বাধিনতা বিরোধী , তাকে গেরেফতার করে রিমান্ডে নেয়াহলে সকল তথ্য বেরিয়ে আসবে।


এখন পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষায় দেশপ্রেমিক সকলকে সেনাবাহিনীকে সহযোগীতা করার। দেশের সার্বভৌম রক্ষার জন্য পার্বত্য অঞ্চলের সকলের সহযোগীতা কাম্য, দলবল নির্বিশেষে। ভারতের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়ানোর এখনই সময়। দলের পূর্বে দেশ আমার।জাগো বাঙ্গালী, রুখো ভারত।এই দেশ কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের নয়, এই দেশ সকলের।পাহাড়ী, উপজাতি এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠির ধারনা মাটিচাপা দিয়ে দেশ, মা, মাটির স্বার্থে সকলে বাংলাদেশী আমরা এই চেতনায় দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।পাহাড়ী, উপজাতি, আদিবাসী শব্দ দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে বৈষম্যের বীজ রোপণ করে দেয়া হয়েছে, আমাদের পাঠ্যপুস্তক থেকে (পাহাড়ি, আদিবাসী উপজাতি শব্দ বৈষম্য) উঠিয়ে দিয়ে সকলকে বাংলাদেশী হিসেবে দেশ বহির্বিশ্বে মাথা উঁচু করে বাঁচার সুযোগ করে দেয়া রাষ্ট্র যন্ত্রের দায়িত্ব।উপজাতি কোঠা উঠিয়ে দেয়ার এখনই সময়, বর্তমানে উপজাতি কোঠা নীরবে বিদ্যমান রয়েছে।এই দেশে বসবাস করতে হলে, সকলকেই বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে হবে। উপজাতি, আদিবাসী, পাহাড়ী হিসেবে পরিচয় দেয়া মানে রাষ্ট্রের প্রতি অসম্মান দেখানো যা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা, পুঁথিগত ভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা নীরবে শিখাচ্ছে।সময় এখন তারুণ্যের। বাংলাদেশের কোনো ভূখণ্ড ছাড়ার প্রশ্নই আসে না, পাহাড় নিয়ে গভীর চক্রান্ত চলতেছে। পাহাড়ে প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। যেটা কোনো রাজনৈতিক দল করতেছে না পাহাড়ী চাঁদার ব্যাপারে বিএনপি বা অন্য কোন রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতা নেই। পাহাড়ী চাঁদার টাকা দেশদ্রোহীদের অস্ত্র স্যাটালাইট ফোনের পিছনে খরচ করা হয়। পাহাড়ে বসবাসরত সকলের সহযোগীতা কাম্য, এই দেশের সার্বভৌম রক্ষার জন্য।পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশীদের  রাজনৈতিক দলের পূর্বে, দেশ আমার।  সময় এখন ঘরে মাওলানা ভাসানী তৈরী হওয়ার।

Comments